সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে জিরা আমদানি বেড়েছে। সরবরাহ বাড়ায় অঞ্চলটিতে নিম্নমুখী হয়েছে মসলাপণ্যটির দাম। গতকাল সাতক্ষীরা জেলা সদরের বাণিজ্যিক মোকাম সুলতানপুর বড় বাজারের কয়েকটি মসলা বিপণন প্রতিষ্ঠান ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, এ অঞ্চলের মসলাপণ্য বিক্রি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরদার স্টোরে গতকাল ভারত থেকে আমদানীকৃত জিরা কেজিপ্রতি ৬৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ সময় সিরিয়া থেকে আমদানীকৃত জিরার দাম ছিল কেজিতে ৭৫০-৭৬০ টাকা। এক মাস আগেও ভারত ও সিরিয়া থেকে আমদানি করা জিরা কেজিতে যথাক্রমে ৭৫০ ও ৯০০-৯৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুল হাকিম বলেন, ‘দেশের বাজারে জিরার সরবরাহ বেড়েছে। এছাড়া ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারেও সম্প্রতি পণ্যটির দাম কিছুটা কম। ফলে প্রকারভেদে কেজিতে ১০০-২০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।’
সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে জানান, সাতক্ষীরার বাজারে জিরার পাশাপাশি পেঁয়াজ, রসুন ও শুকনা মরিচের মতো মসলাপণ্যের দামও কমেছে।
এদিকে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) পর্যন্ত গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় জিরা আমদানি ১৫১ টন বেড়েছে।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে জিরা আমদানি হয়েছে ৮৬১ টন। যার আমদানি মূল্য ছিল ৩৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময় ১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা মূল্যের ৭১০ টন জিরা আমদানি করা হয়।
ভোমরা বন্দরের অন্যতম মসলাপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান বণিক বার্তাকে জানান, অভ্যন্তরীণ বাজারে জিরার চাহিদার পাশাপাশি ভারতে পণ্যটির দাম কমেছে। চলতি অর্থবছর তার প্রতিষ্ঠানে পণ্যটির আমদানি ১০-১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।